সেন্ট্রাল হাসপাতালের ২ চিকিৎসক গ্রেপ্তারে বিএমএ'র উদ্বেগ
মেডিভয়েস রিপোর্ট: রাজধানীর বেসরকারি সেন্ট্রাল হাসপাতালের দুই চিকিৎসক গ্রেপ্তার করায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশন (বিএমএ)।
আজ শনিবার (১৭ জুন) বিএমএর দপ্তর সম্পাদক ডা. মোহা. শেখ শহীদ উল্লাহ স্বাক্ষরিত গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ উদ্বেগ জানিয়েছে সংগঠনটি।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশনের (বিএমএ) সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন এবং মহাসচিব ডা. মো. ইহতেশামুল হক চৌধুরী রাজধানীর বেসরকারি সেন্ট্রাল হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. শাহজাদী ও ডা. মুনাকে ভুল চিকিৎসার অভিযোগে গ্রেপ্তার করায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার আগেই শুধুমাত্র অভিযোগের ভিত্তিতে দুইজন চিকিৎসককে গ্রেপ্তার করায় নিন্দা জানিয়েছেন।
একইসঙ্গে বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশন সেন্ট্রাল হসপিটালের এ দুই চিকিৎসকের অবিলম্বে মুক্তিও দাবি করেছে।
এর আগে গত ১৫ জুন ভুল চিকিৎসার অভিযোগে সেন্ট্রাল হাসপাতালের ডা. শাহজাদী ও ডা. মুনাকে গ্রেপ্তার করে ধানমণ্ডি থানা পুলিশ।
এ বিষয়ে ধানমণ্ডি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. পারভেজ ইসলাম জানান, হাসপাতালে ভুল চিকিৎসা ও কর্তৃপক্ষের প্রতারণায় মাহবুবা রহমান আঁখি মৃত্যুঝুঁকিতে পড়েছেন বলে অভিযোগ করে তার স্বামী ইয়াকুব আলী সুমন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অবহেলায় মারা গেছে তাদের নবজাতক সন্তানও।
জানা গেছে, গত তিন মাস ধরে সেন্ট্রাল হসপিটালের গাইনি ও প্রসূতি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. সংযুক্তা সাহার অধীনে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন মাহবুবা রহমান আঁখি। তার শারীরিক অবস্থা স্বাভাবিক ছিল বলে চিকিৎসক জানিয়েছিলেন।
প্রসব ব্যথা ওঠায় গত ৯ জুন রাত ১২টা ৫০ মিনিটে মাহবুবা রহমান আঁখিকে সেন্ট্রাল হসপিটালে ডা. সংযুক্তা সাহার অধীনে ভর্তি করা হয়। তখন ডা. সংযুক্তা সাহা হাসপাতালে উপস্থিত ছিলেন না। তারপরও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, তিনি আছেন এবং ওটিতে (অপারেশন থিয়েটার) কাজ করছেন।
ওসি জানান, এ ঘটনায় বুধবার ধানমণ্ডি থানায় ‘অবহেলাজনিত মৃত্যু’র একটি মামলা হয়েছে। মামলায় মোট পাঁচজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া কয়েকজন ‘অজ্ঞাত’ আসামিও উল্লেখ করা হয়েছে।